পায়ের যত্ন নিবেন কীভাবে?

পায়ের যত্ন নিবেন কীভাবে?
শরীরের সমস্ত ভারটা বহন করে পা। হাঁটাচলা, বসা যাবতীয় কাজ হয় পায়ের সাহায্যেই। তাই, পা যে মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটার যত্ন নেয়া হয়ই না বলতে গেলে। কিন্তু পায়ের খেয়াল রাখাটাই অতীব জরুরী। তাছাড়া, পা সবসময় থাকে খোলা বা উন্মুক্ত। বাইরের ধুলাবালি, ময়লা এবং রোদের তাপে সবচাইতে বেশি উন্মুক্ত থাকে এই অঙ্গটি। আবার দিনশেষে এই অঙ্গটারও বিশেষ যত্ন নেয়া হয় না ক্লান্তির দোহাই দিয়ে। তাই আজকের আয়োজনটা সাজানো দেহের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায় তা নিয়ে।
আভ্যন্তরীণ যত্ন 
ভেতরটা সুস্থ থাকলে বাইরেও তার রূপ প্রকাশিত হয়। অর্থাৎ আভ্যন্তরীণ যত্ন সবার আগে। এক্ষেত্রে একটা স্বাস্থ্যকর ডায়েট প্লান আপনাকে রাখতে পারে প্রাণবন্ত এবং চাঙ্গা। সুষম খাদ্য গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করাটাও স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরী। তাছাড়া নিয়মিত জল পান শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
নিয়মিত পরিষ্কার রাখা  
নিয়মিত পা ধুলে একদিকে যেমন পা থাকবে ময়লামুক্ত তেমনি থাকবে মসৃণ। বাইরের ধুলাবালি, কাদা, পানি লেগে পা হয়ে থাকে নোংরা। তাই বাইরে থেকে এসেই আগে ভালোভাবে পা ধুতে হবে। সম্ভব হলে ইষৎ কুসুম গরম জলেও পা ডুবিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে করে সারাদিনের ক্লান্তিও খানিকটা নিস্তার হবে। পায়ের ময়লা উঠালে ফুট ফাইলারও ব্যবহার করা যেতে পারে।
মালিশ করা 
দেহের পাশাপাশি পায়ের উপর দিয়েও সারাদিনের ধকল যায়। তাই রাতে চাই পায়ের আলাদা খানিক বিশ্রাম। এজন্যই অল্প সময়ের জন্য পা মালিশ করা যেতে পারে। এতে করে পায়ের পেশির সঞ্চালন ঠিক থাকার পাশাপাশি পায়ের রক্ত সঞ্চালনও ঠিক থাকবে। কুসুম গরম তেল দিয়ে কিংবা ক্রিম দিয়েও করা যেতে পারে মালিশ। সপ্তাহে অন্তত দুবার মালিশ করাটা আবশ্যক।
রাতের যত্ন 
রাতের বেলা ঘুমানোর আগে পায়ে পেট্রোলিয়াম জেলি বা তেল লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন। এতে করে রাতের দীর্ঘ সময় জুড়ে পা বিশ্রামের পাশাপাশি নিউট্রেশনও অর্জন করতে হবে। ফলে সকালে পা দেখাবে মসৃণ ও সতেজ। তেলের চাইতে জেলিতে উপকারিতা বেশি। কেননা, তেলের চাইতে বেশি সময় পেট্রোলিয়াম জেলি পায়ে থাকতে পারে।
ময়শ্চারাইজার 
যেহেতু পা বেশিরভাগ সময়ই উন্মুক্ত থাকে, তাই বাইরের ধুলাবালির আক্রমণে পা হয়ে উঠে রুক্ষ এবং শুষ্ক। যেজন্য পায়ের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দেয়। শুষ্কতা আর রুক্ষতা থেকে বাঁচতে তাই ময়শ্চারাইজারের তুলনা নেই। বিশেষ করে বাইরে বের হবার আগে তো ময়শ্চারাইজার লাগানোটা আবশ্যক। বাইরে থেকে এসে বা রাতে ঘুমানোর আগেও ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
নিয়মিত পায়ের ব্যায়াম 
ফিট থাকতে অবশ্যই নিয়মিত পায়ের ব্যায়াম করতে হবে। আরামদায়ক জুতো পরে নিয়মিত দৌড়ানোর এবং হাঁটাচলার অভ্যাস গড়ে নিতে হবে। পেশির সঞ্চালন ঠিক রাখতে এবং পেশি শক্তিশালী করতে নিয়মিত ব্যায়ামের কোন তুলনা হয় না।
ব্যথা উপশম 
অনেক সময়ই হাঁটাচলার সময়ে পায়ে ব্যথা অনুভূত হয়, কিংবা কেটে বা ছিলে যায় পা। সেক্ষেত্রে পায়ের ব্যথা সম্পূর্ণভাবে উপশম করে নিতে হবে। নতুবা ব্যথার উপর দিয়ে জোর খাটালে পায়ের ক্ষতি বাড়বে দ্বিগুণ। প্রয়োজনে নেয়া যেতে পারে ডাক্তারের সাহায্য।
সানস্ক্রিন ব্যবহার 
শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতোই পায়ে সানস্ক্রিন মাখা অত্যন্ত জরুরী। অনেকেই মনে করে যে, পায়ে সানস্ক্রিন লাগানোটা এতটাও গুরুত্ব না। কিন্তু এটা ভুল। বরং যেহেতু পা থাকে বেশীক্ষণ উন্মুক্ত তাই শুকিয়ে যাওয়ার প্রবণতাও থাকে বেশি। নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার পা হয়ে উঠবে সতেজ ও মসৃণ।
ধূমপান পরিহার 
আপনাকে ধূমপান পরিহার করতে হবে। কেননা, পায়ের নিম্ন অংশে যতটুকু রক্ত পৌঁছানো দরকার তার পরিমাণ হ্রাস হয় ধূমপানের কারণে। পাশাপাশি কমে আসে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও।
পায়ের আরাম 
প্রতিদিন পায়েরও দরকার পর্যাপ্ত আরাম। কুসুম গরম জলে পা সেঁকে নিলে আরাম অনুভূত হয় সবচাইতে বেশি। শরীরও হয়ে উঠে খানিকটা রিল্যাক্স।
লিংক: 
📞 ত্বকের সমস্যার জন্য প্রোডাক্ট সাজেশন পেতে কল করুনঃ 01790 270066 অথবা ইনবক্স করুন। 
🌐 ১০০% অরিজিনাল কোরিয়ান প্রোডাক্টঃ https://chardike.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © chardike blog 2021
0 I like it
0 I don't like it

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *