টোনার কেনো ব্যবহার করবো?

How to use Toner_chardike_blog

 

আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন থাকে যে নিয়ম করে ফেইসওয়াশ ব্যবহার করার পরও আলাদা করে টোনার ব্যবহারের কি দরকার?আবার আমরা অনেকেই আলসেমী করে টোনার ব্যবহার করতে অনীহা দেখাই। এরপর আমাদের কমপ্লেইন থাকে যে নামী দামী পণ্য ব্যবহারের পরও আমাদের ত্বকে আশানুরূপ ফল পাচ্ছি না। নামী দামী পণ্য ব্যবহারের পরও এই একটি স্টেপ বাদ দেয়ার জন্য আমাদের ত্বকে কিছু না কিছু সমস্যা থেকেই যায়। তাহলে চলুন আজ জেনে নেয়া যাক টোনার আমাদের ত্বকের জন্য কেনো জরুরী।

১/ ত্বকের পিএইচ (ph)ব্যালেন্স বজায় রাখতে 

প্রকৃতিগত ভাবে আমাদের ত্বকের ধরন এসিডিক এবং এর পিএইচ ব্যালেন্স ৫ থেকে ৬ এর মাঝামাঝি থাকে। ফেইসওয়াশ জাতীয় ক্ষারীয় বস্তু ব্যবহারের পর ত্বকের সেই পিএইচ ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যায়। পুনরায় ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স ফিরিয়ে আনতে টোনারের ব্যবহার অত্যন্ত জরুরী। 

২/ ত্বকের অতিরিক্ত তেলতেলে ভাব দূর করতে 

অনেক সময় বারবার মুখ ধোয়ার পরও ত্বকে খুব জলদি তেলতেলে ভাব চলে আসে। এর কারণ হচ্ছে ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স বজায় না থাকা। নিয়মিত টোনার ব্যবহারের ফলে ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স বজায় থাকবে এবং ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর হবে। 

৩/ ওপেন পোরস কমিয়ে আনতে

মুখে ফেইসওয়াশ ব্যবহারের পর ত্বকের রোমছিদ্র গুলো খুলে যায় যার ফলে তাতে ধুলাবালি খুব সহজেই প্রবেশ করে এবং ক্রমশ রোমকূপ বা পোরসগুলো বড় করে তুলে। ফেইসওয়াশ ব্যবহারের পর নিয়মিত টোনার ব্যবহারের ফলে রোমছিদ্রের মুখ সংকুচিত হয়ে যায় যার ফলে ধুলাবালি প্রবেশ করতে পারে না এবং ওপেন পোরসের সমস্যা দেখা দেয় না।

৪/ ত্বককে আর্দ্র এবং তরতাজা রাখতে

টোনারে মূলত পানির পরিমান বেশি থাকায় নিয়মিত ব্যবহারে এটি ত্বককে দেয় পর্যাপ্ত হাইড্রেশন এবং ত্বকে একটি ইনস্ট্যান্ট উজ্জ্বল ভাব এনে দেয়। 

৫/ ত্বককে দেয় বাড়তি সুরক্ষা

ফেইসওয়াশ ব্যবহারের পর টোনার ত্বককে আরো গভীর ভাবে পরিষ্কার করে এবং লোমকূপের একদম গভীরে জমে থাকা ময়লা টেনে আনে। এছাড়া মুখ ধোয়ার পর পানির ভেতর থাকা ক্ষতিকর ক্লোরিন বা অন্যান্য পদার্থ থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে টোনারের জুরি নেই। 

7 I like it
1 I don't like it

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *